বিকাশ থেকে টাকা ক্যাশ আউট করতে গেলে একটা নির্দিষ্ট চার্জ কেটে রাখা হয়, যা এজেন্ট পয়েন্ট আর বিকাশ নিজস্ব পয়েন্টের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা হয়। অনেক সময় টাকা তোলার পর হিসাব মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায় ঠিক কত টাকা কাটা হয়েছে, কিন্তু আগে থেকে এই হিসাবটা জানা থাকলে কোন মাধ্যমে টাকা তোলা সাশ্রয়ী হবে তা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
এই ক্যালকুলেটরে আপনি যে পরিমাণ টাকা তুলতে চান এবং কোন মাধ্যম ব্যবহার করবেন তা বেছে নিলে চার্জের পরিমাণ এবং হাতে কত টাকা পাবেন তা সাথে সাথে দেখতে পাবেন। নিচে নিজের তথ্য দিয়ে হিসাব করে দেখুন।
বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ কীভাবে নির্ধারিত হয়
বিকাশের ক্যাশ আউট চার্জ সাধারণত প্রতি হাজার টাকায় নির্দিষ্ট হারে কাটা হয়। এজেন্ট পয়েন্ট থেকে টাকা তুললে সবচেয়ে বেশি হারে চার্জ কাটা হয়, কারণ এজেন্টকে কমিশন দিতে হয়। বিকাশ নিজস্ব প্রায়োরিটি পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট পার্টনার ব্যাংকের এটিএম থেকে তুললে তুলনামূলক কম চার্জ লাগে।
চার্জের হার মাঝে মাঝে পরিবর্তন হতে পারে, তাই বড় অঙ্কের টাকা তোলার আগে বিকাশ অ্যাপে গিয়ে সর্বশেষ হার একবার যাচাই করে নেওয়া ভালো। এই ক্যালকুলেটরে প্রচলিত হারগুলো দেওয়া আছে, যা দিয়ে আনুমানিক হিসাব করা যাবে।
চার্জ কমানোর কিছু উপায়
- প্রায়োরিটি পয়েন্ট ব্যবহার করুন: এজেন্টের বদলে বিকাশ নিজস্ব পয়েন্ট থেকে তুললে তুলনামূলক কম চার্জ লাগে।
- একসাথে বড় অঙ্ক তুলুন: বারবার ছোট ছোট অঙ্কে টাকা না তুলে একবারে প্রয়োজনীয় টাকা তুললে মোট চার্জ কম হয়।
- অফার সময় খেয়াল রাখুন: মাঝে মাঝে বিকাশ নির্দিষ্ট সময়ে কম চার্জের অফার দেয়, এসব সুযোগ কাজে লাগানো যায়।
মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারে সচেতনতা
মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহারের সময় শুধু চার্জের হিসাবই নয়, লেনদেনের নিরাপত্তার দিকটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পিন নম্বর কখনো কারো সাথে শেয়ার করা উচিত নয়, এবং অপরিচিত কোনো নম্বর থেকে ওটিপি বা পিন চাইলে তা না দেওয়াই নিরাপদ। বিকাশ কখনো ফোন করে পিন নম্বর জানতে চায় না, এই বিষয়টা মাথায় রাখলে অনেক প্রতারণা থেকে বাঁচা যায়।
নিয়মিত লেনদেনের ক্ষেত্রে চার্জের হিসাব রাখলে মাস শেষে দেখা যায় ছোট ছোট চার্জ মিলিয়ে বেশ একটা অঙ্ক দাঁড়িয়ে যায়। তাই কোন মাধ্যমে টাকা তোলা বেশি সাশ্রয়ী তা আগে থেকে হিসাব করে নেওয়া একটা ভালো আর্থিক অভ্যাস।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।